মোঃ শিমুল হাওলাদার, বিশেষ প্রতিনিধি
অন্তর্বর্তী সরকারের ১০ মাসের শাসনামলে সংস্কার, বিচার ও নিরপেক্ষতা—সবকিছুতেই শূন্য অর্জন দেখা গেছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, সরকারের মূল সাফল্য যেন এর ব্যর্থতাই।
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সরকারে এই সময়ের মধ্যে তার ব্যক্তিগত সুবিধা বেড়েছে—মওকুফ হয়েছে শত কোটি টাকার কর, মামলা প্রত্যাহার, বিদেশ সফরের রেকর্ড।

অন্যদিকে, দেশের জন্য বন্ধ হয়েছে বিভিন্ন দেশের ভিসা সুবিধা, বিনিয়োগ স্থবির, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের বাইরে।
উপদেষ্টাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির বিস্তর অভিযোগ উঠলেও কোনো তদন্ত বা ব্যবস্থা নেই। বিচার প্রক্রিয়া ও মামলার ব্যবস্থাও প্রশ্নবিদ্ধ। শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারিতে ২৫ হাজার কোটি টাকা উধাও হলেও বিচার হয়নি।

সরকারের ‘সংস্কার’ কার্যক্রম প্রশ্নবিদ্ধ ও পক্ষপাতদুষ্ট। এনসিপি (জাতীয় নাগরিক পার্টি)-কে বিশেষ সুবিধা দিতেই দীর্ঘসূত্রতা ও নাটক চলছে বলে অভিযোগ।
নির্বাচন নিয়েও সরকারের অবস্থান অস্পষ্ট। প্রাথমিকভাবে ডিসেম্বর, পরে জুন—শেষ পর্যন্ত ১০ মাসেও কোনো সুনির্দিষ্ট তারিখ আসেনি। বিরোধী দল ও দেশের মানুষ এই দেরিকে ‘ইচ্ছাকৃত’ মনে করছেন।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিরও অবনতি ঘটেছে। ভারত-মিয়ানমার সীমান্ত দিয়ে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ বাড়ছে। দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায়ও ব্যর্থ সরকার।
সব মিলিয়ে, দেশের মানুষ এখন একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে।

আশার আলো একটাই—১৩ জুন তারেক রহমান ও ড. ইউনূসের মধ্যকার বৈঠক। দেশবাসীর প্রত্যাশা, এই বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা সমাধানের পথ দেখাবেন।
সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন
Posted ৯:১৯ অপরাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, ১২ জুন ২০২৫
dailymatrivumi24.com | Shimul Howlader