প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি : সংগৃহীত
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর আজ প্রথম বিদেশ সফরে যাচ্ছেন তারেক রহমান। প্রথম দেশ হিসেবে মালয়েশিয়া সফর করবেন তিনি। দেশটির প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের আমন্ত্রণে রোববার (২১ জুন) তিনি রওনা হবেন।
জানা যায়, প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইট বিকেলে ঢাকা থেকে কুয়ালালামপুরের উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে। মালয়েশিয়া সফর শেষে তিনি চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের আমন্ত্রণে সরাসরি চীনে যাবেন।
প্রধানমন্ত্রীর দুই দেশ মালয়েশিয়া ও চীন সফর শুরুর আগে পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়াম গতকাল শনিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলন করেন।
তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আসন্ন চীন সফরকালে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে ১৩টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ), দুটি চুক্তি, একটি কর্মপরিকল্পনা এবং একটি প্রোটোকলসহ ১৫ থেকে ১৭টি দ্বিপক্ষীয় চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এ সময় বহুল প্রতীক্ষিত তিস্তা প্রকল্প নিয়েও আলোচনা করা হবে।’
তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা এটিকে একটি যুক্তিসংগত পর্যায়ে রাখার চেষ্টা করেছি। এই সফরগুলোকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অংশীদারি শক্তিশালীকরণ, বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং আঞ্চলিক সংযোগ বৃদ্ধির লক্ষ্যে একটি বড় কূটনৈতিক উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।’
আগামী ২৫ জুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় আলোচনা করবেন। সরকারি সফরের অংশ হিসেবে তিনি ২৬ জুন চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিংয়ের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করবেন।
চীন সফরকালে প্রধানমন্ত্রী লিয়াওনিং প্রদেশের দালিয়ানে ২৩ থেকে ২৫ জুন অনুষ্ঠেয় ‘নিউ চ্যাম্পিয়নস’-এর ১৭তম বার্ষিক সম্মেলনে (সামার দাভোস ফোরাম) অংশ নেবেন।
সফরে মালয়েশিয়া পর্বে বাণিজ্য সম্প্রসারণ, শ্রমবাজারে সহযোগিতা এবং বিনিয়োগের সুযোগ বৃদ্ধির বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে। অন্যদিকে চীন সফরে অবকাঠামো, প্রযুক্তি, সংযোগ এবং উন্নয়ন খাতে সহযোগিতা আরো গভীর করার বিষয়ে বাংলাদেশের অঙ্গীকার তুলে ধরা হবে।
প্রধানমন্ত্রী আগামী শুক্রবার রাতে দেশে ফিরবেন বলে আশা করা হচ্ছে।