মধুমতি নদীতে অস্বাভাবিক পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় কাশিয়ানী উপজেলার কালনা ফেরিঘাটের উভয়পাশের পন্টুনের গ্যাংওয়ে দু’টি তলিয়ে গেছে। এতে যানবাহন ও যাত্রী পরিবহনে চরম দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে। ঘাট কর্তৃপক্ষ কোনোমতে জোড়াতালি দিয়ে যানবাহন ও লোকজনের পারাপার স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করছেন।
পদ্মার এপারে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশদ্বার হল কাশিয়ানী উপজেলার কালনা ফেরিঘাট। এ ঘাট দিয়ে পরিবহন চালকরা খুলনা, নড়াইল, যশোর, বেনাপোল বন্দর চলাচল করে থাকেন। প্রতিদিন এ ঘাট দিয়ে কয়েক শ’ যাত্রীবাহী বাস, ট্রাক, পিকআপ, মাইক্রোবাস, নছিমনসহ অন্যান্য যানবাহন পারাপার হয়ে থাকে। গুরুত্বপূর্ণ ঘাট হওয়া সত্ত্বেও ঘাটটির উন্নয়নে তেমন একটা নজর নেই কর্তৃপক্ষের।
বুধপাশা গ্রামের সালাউদ্দিন মৃধা সুজন বলেন, ‘মধুমতি নদীতে পানি বৃদ্ধির কারণে নদীর দু’পাড়ের গ্যাংওয়েগুলো পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে যানবাহন পারাপারে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। লোকজন পার হতে পানি ঝাঁপিয়ে খেয়ায় উঠছেন। দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার প্রয়োজন।’
ঘাট ইজারাদার মো: মঞ্জুর হাসান বলেন, ‘নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় ফেরিঘাটের পন্টুনের দু’টি গ্যাংওয়ে তলিয়ে গেছে। নদীতে ভাটার সময় কিছুটা দুর্ভোগ কমলেও জোয়ারের সময় অনেক গাড়ির ইঞ্জিনে পানি ঢুকে পড়ছে। ফলে পারাপারে দীর্ঘ সময় লাগছে। এ কারণে ঘাট পারাপারে যাত্রী সাধারণকে দীর্ঘসময় অপেক্ষা করতে হয়। চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’
ফেরি চালক মোঃ মিজানুর রহমান বলেন, ‘অস্বাভাবিক পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ঘাটে ফেরিতে পরিবহন ওঠা-নামায় মারাত্মক সমস্যা হচ্ছে। যে কোন সময় বড় ধরণের দূর্ঘনাও ঘটতে পারে।’
গোপালগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ-সহকারী সাকিরুল ইসলাম বলেন, ‘মধুমতি নদীতে পানি বেড়ে যাওয়ায় জোয়ারের সময় ঘাটে সমস্যা হচ্ছে। বিষয়টি দেখে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’