ঢাকা
১৪ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম
চট্টগ্রামে খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির সংকটে পানিবন্দি লাখো মানুষ প্রাথমিকে বৃত্তি পেল ৭৯,২৪৬ শিক্ষার্থী রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অর্ধবার্ষিক ও প্রাক-নির্বাচনি পরীক্ষা স্থগিত বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা হচ্ছে, সহায়তা দেবে সরকার: কৃষিমন্ত্রী ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক আজ প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ, জানা যাবে যেভাবে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ গুলোতে ইরানের পাল্টা হামলা সাবেক স্পিকার জমির উদ্দিন সরকার মারা গেছেন গ্রামাঞ্চলেও সমান গুরুত্ব দিয়ে চিকিৎসাসেবা প্রদানের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বাহামাসে বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ১০ আরোহীর মৃত্যু
Advertise with us

সহকারী শিক্ষক পদে ৪৬ হাজার পরীক্ষার্থীর ফল পুনরায় প্রকাশের নির্দেশ

ডেস্ক রিপোর্ট
বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬   ১৯ বার পঠিত
সহকারী শিক্ষক পদে ৪৬ হাজার পরীক্ষার্থীর ফল পুনরায় প্রকাশের নির্দেশ

ছবি: সংগৃহীত  

প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক পদে ৪৬ হাজার পরীক্ষার্থীর ফলাফল পুনরায় প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছেন আপিল বিভাগ। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এ রায় দেন।

ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগে ২০২৩ সালে কোটার ভিত্তিতে পরীক্ষা নেওয়া সরকারী শিক্ষক পদে ৪৬ হাজার ১৯৯ জন পরীক্ষার্থীর ফল মেধার ভিত্তিতে পুনরায় প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছেন আপিল বিভাগ। একইসঙ্গে ১৫১ জন রিট পিটিশনারকে সহকারী শিক্ষক পদে আগামী ৬০ দিনের মধ্যে নিয়োগ দেওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আদালতে রিটকারীদের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম।

অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম বলেন, প্রাইমারি স্কুলের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের ব্যাপারে ২০২৩ সালে একটি সার্কুলার হয়। ওই সময়ে বিদ্যমান যে কোটা পদ্ধতি ছিল সেখানে ৮৪ শতাংশ কোটার ভিত্তিতে নিয়োগ হয়। সেটাকে চ্যালেঞ্জ করে ১৫১ জন রিট পিটিশনার হাইকোর্ট ডিভিশনে মামলা করেন যে, জুলাই বিপ্লবের পরে সুপ্রিম কোর্টের যেহেতু একটা জাজমেন্ট হয়েছে যে, সেখানে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগটা হবে এবং মেধা হবে ৯৩ শতাংশ, তার ভিত্তিতে নিয়োগ হওয়া উচিত। এই মামলার ভিত্তিতে হাইকোর্ট ডিভিশন ওই নিয়োগটাকে অবৈধ ঘোষণা করে ১৫১ জনকে নিয়োগ দেওয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছিলেন। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সরকার আপিল দায়ের করেন। সেই আপিলটা আজকে শুনানি অন্তে চূড়ান্ত রায় হয়েছে। আপিল ডিভিশন সেই রায়ে তিনটি অবজারভেশন দিয়ে আপিলটিকে নিষ্পত্তি করেন।

প্রথম ডাইরেকশন হচ্ছে : যে ১৫১ জন রিট পিটিশনার যারা ছিলেন, তাদেরকে আগামী ৬০ দিনের মধ্যে নিয়োগ দেওয়ার জন্য সুপ্রিম কোর্ট সরকারের প্রতি নির্দেশ দিয়েছেন।

দ্বিতীয় যে নির্দেশনাটা দিয়েছেন: যে ৪৬ হাজার ১৯৯ জন পরীক্ষার্থী সেই সময়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিলেন, কিন্তু রেজাল্ট পাবলিশড হয়েছিল তখন বিদ্যমান কোটা পদ্ধতি অনুযায়ী। সুপ্রিম কোর্ট আজকে রায় দিয়েছেন যে, পুনরায় এই ৪৬ হাজার ১৯৯ জনের রেজাল্ট সুপ্রিম কোর্টের কোটার বিরুদ্ধে যে রায়টা ছিল— অর্থাৎ সিপি নাম্বার ২৫১৬ অব ২০২৪-এ কোটাকে বাতিল করে যে রায়টা দিয়েছিল— সেই রায়ের আলোকে এই রেজাল্টটা পুনরায় প্রকাশ করার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন।

আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ইরানের ৮ সেনা নিহত

তৃতীয় ডাইরেকশন হচ্ছে- যে এই মামলা সুপ্রিম কোর্টে চলাকালীন যারা এরইমধ্যে নিয়োগপ্রাপ্ত হয়েছেন— ৬ হাজার ৫৩১ জন শিক্ষক, তাদের নিয়োগটা ন্যায়বিচারের স্বার্থে আদালত বহাল রাখতে বলেছেন।

এ রায়ের মাধ্যমে কোটা পদ্ধতির ব্যাপারে বাংলাদেশের আগের যে কোটা পদ্ধতি ছিল সেটা বাতিল হলো এবং নতুন করে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়ার জন্য সুপ্রিম কোর্টের আগের রায়টা পুনরায় বলবৎ করা হলো।

Facebook Comments Box
Advertise with us
Advertise with us
Advertise with us