ছবি: সংগৃহীত
প্রায় ১৪ মাস পর দেশব্যাপী শুরু হচ্ছে ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন। অন্ধত্ব প্রতিরোধ, রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং শিশুদের পুষ্টিহীনতা দূর করার লক্ষ্যে আয়োজিত এ কর্মসূচি রোববার (২৮ জুন) সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলবে।
জাতীয় কর্মসূচির আওতায় ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। তবে নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে শিশুদের এই ক্যাপসুল দেওয়া হবে না।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) ও জাতীয় কর্মসূচির নির্দেশনা অনুযায়ী, ৬ মাসের কম বয়সী শিশুদের ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইনের ক্যাপসুল খাওয়ানো হয় না। এছাড়া গত ২৮ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে উচ্চমাত্রার ভিটামিন এ ক্যাপসুল গ্রহণ করে থাকলে একই শিশুকে পুনরায় ক্যাপসুল দেওয়া হবে না।
তবে জ্বর, সর্দি-কাশি, ডায়রিয়া বা অপুষ্টি থাকলে ক্যাপসুল খাওয়ানো নিয়ে অভিভাবকদের উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই। ডব্লিউএইচওর তথ্য অনুযায়ী, এসব সমস্যা থাকলেও সাধারণভাবে শিশুদের ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো নিরাপদ এবং এতে কোনো বাধা নেই।
অন্যদিকে, কোনো শিশু গুরুতর অসুস্থ থাকলে বা হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার মতো শারীরিক অবস্থায় থাকলে আগে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিশ্চিত করতে হবে। এরপর স্বাস্থ্যকর্মীর পরামর্শ অনুযায়ী তাকে ভিটামিন এ ক্যাপসুল দেওয়া হবে।
আরও পড়ুন: হাম উপসর্গে আরও ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৭৮৯
বয়সভেদে শিশুদের দুটি ধরনের ক্যাপসুল দেওয়া হবে। ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুদের জন্য রয়েছে নীল রঙের ক্যাপসুল এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের জন্য লাল রঙের ক্যাপসুল।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, ভিটামিন এ শিশুর দৃষ্টিশক্তি সুরক্ষা, রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং ভিটামিন এ এর ঘাটতি প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই নির্ধারিত বয়সের সব শিশুকে জাতীয় কর্মসূচির আওতায় ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানোর আহ্বান জানানো হয়েছে।